Beginning of Bistirno

বিস্তীর্ণ জীবনের খোঁজে আমরা।

আমি সাকিব ইসমাইল আমার সহধর্মিনী আয়েশা সিদ্দিকা 

২০১৮ তে আমাদের বিস্তীর্ণ জীবনের শুরু। আমাদের দুজনের পরিচয়টা পরিবারের মাধ্যমেই হয়েছিল। আমার বিয়ের আগের দিন ও আমি কখনও কল্পনা করিনি ঐ দিনটিতেই আমার বিয়ে হবে। কিন্তু যখনই ও আমার সামনে আসলো সবকিছু যেন অন্যরকম হয়ে গেলো। বাসার প্রতিটি মানুষের প্রাণবন্ত ইচ্ছা এবং তার মিষ্টি মুখের হাসিটা কোনকিছু থামিয়ে রাখতে পারেনি। ওইদিনই আমরা দুজন দুজনকে প্রথম দেখি। দিনটি ছিল ২৭ এপ্রিল ২০১৮। আর তারপর থেকেই চলছে জীবন। আর  জীবনের চলার পথে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আমরা চেষ্টা করি ছোট ছোট বিষয় থেকে জীবনের আনন্দ খুঁজে নেওয়ার। আমাদের দুজনেরই বেশ কিছু চিন্তা একই রকম তারমধ্যে ঘোরাঘুরি করা দুজনেরই খুব পছন্দ তার মধ্যে মোটরসাইকেলে ভ্রমণ করা খুব বেশি পছন্দের। প্রথমদিকে ও মোটরসাইকেলে চড়তে ভয় পেত কিন্তু এখন সে মোটরসাইকেল ছাড়া কোথাও যেতেই চায়না। আমি ছোটবেলা থেকেই মোটরসাইকেল পাগল ছিলাম। আমার বাবার বাইকটা থেকেই আমার হাতেখড়ি। সেটা ছিল হোন্ডা হান্ড্রেড টেন। তখন থেকেই মোটরসাইকেলের পাগলামি শুরু। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম বাইক নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যাব। ওকে পাওয়ার পর মনে হল স্বপ্নটা এখন পূরণ হওয়া সম্ভব। আর এই কারনেই একটু করে বাংলাদেশ ঘুরে দেখার ইচ্ছা শুরু হল আমাদের। ওর সাথে আমার প্রথম মোটরসাইকেল লং ট্যুর ছিল ঢাকা- কুয়াকাটা। ওই টুর এর প্রত্যেকটা প্রত্যেকটা বিষয় ভালো লাগার ছিল যা আমার প্রায়ই মনে পড়ে আর এরপর থেকে আমরা টুর পরিকল্পনা করে বেরিয়ে পরি। এখন পর্যন্ত আমরা বেশ কিছু জায়গায় বাইকে ঘুরেছি এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য খাগড়াছড়ি, সাজেক, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, খুলনা এবং বরিশাল।

আমরা দুজনে মিলে ছাদে একটা বাগান ও করেছি। আমাদের বাগানে অনেক ধরনের সবজি গাছ, ফুলের গাছ ও বেশ কিছু ফলের গাছ আছে। তাতে মাশাল্লাহ ভালোই ফলন হয়। আমাদের একটা ছোটখাটো কবুতর এর খামার ও রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন জাতের কবুতর আছে ওদের সাথে সময়টা ভালোই কাটে। এগুলোকে ঘিরেই বিস্তীর্ণ জীবনকে খুঁজে পাই।



No comments

Portfolio Of Interior Architecture

অভ্যন্তরীণ আর্কিটেকচারের পোর্টফোলিও আমি সাকিব ইসমাইল  পেশায় একজন ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্ট। ২০১৩ সালে SMUCT ইউনিভার্সিটি থেকে আমি আমার গ্রাজুয...

Theme images by chuwy. Powered by Blogger.